বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানায় আলোচিত ব্যবসায়ী মো. পিন্টু আকন্দ হত্যা মামলার সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. সজিব (৩২)কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের যৌথ আভিযানিক দল তাকে আটক করে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ২২ ডিসেম্বর বগুড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার লোটো শোরুমের মালিক ব্যবসায়ী মো. পিন্টু আকন্দকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করা হয়। অপহরণের প্রায় দুই ঘণ্টা পর আদমদীঘি উপজেলার কুমাড়পাড়া এলাকা থেকে একটি পরিত্যক্ত মাইক্রোবাসে তার মরদেহ উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে দুপচাঁচিয়া থানায় ৫ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৪; তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫; ধারা ৩৬৪/৩০২/৩৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০।
মামলার অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে র্যাব। নজরদারির এক পর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, মামলার সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. সজিব চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকায় অবস্থান করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে সীতাকুণ্ড থানাধীন ভাটিয়ারি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মো. সজিব বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানার ডিমশহর এলাকার মো. শাহাবুদ্দিনের ছেলে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের যৌথ আভিযানিক দল তাকে আটক করে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ২২ ডিসেম্বর বগুড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার লোটো শোরুমের মালিক ব্যবসায়ী মো. পিন্টু আকন্দকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করা হয়। অপহরণের প্রায় দুই ঘণ্টা পর আদমদীঘি উপজেলার কুমাড়পাড়া এলাকা থেকে একটি পরিত্যক্ত মাইক্রোবাসে তার মরদেহ উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে দুপচাঁচিয়া থানায় ৫ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৪; তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫; ধারা ৩৬৪/৩০২/৩৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০।
মামলার অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে র্যাব। নজরদারির এক পর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, মামলার সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. সজিব চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকায় অবস্থান করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে সীতাকুণ্ড থানাধীন ভাটিয়ারি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মো. সজিব বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানার ডিমশহর এলাকার মো. শাহাবুদ্দিনের ছেলে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
নিজস্ব প্রতিবেদক